সিলেটে জাতীয়তাবাদী পরিবারসহ জুলাই যোদ্ধাদের দাবিতে ডিসির দ্বারস্থ

মুমিন আহমদ মারুফ : সিলেট প্রতিনিধি

মুমিন আহমদ মারুফ : সিলেট প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ৯:৪৭ অপরাহ্ণ, জুলাই ২৬, ২০২৬

সিলেট মহানগর “আমরা জুলাই যোদ্ধা” ও জাতীয়তাবাদী পরিবারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন দাবি-দাওয়া বাস্তবায়ন এবং সার্বিক সহযোগিতা চেয়ে সিলেটের জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। রোববার (২৬ জুলাই) বিকেলে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এ স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়।

 

স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন সিলেট মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব ও মহানগর বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক আফছর খান, মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপির যুব বিষয়ক সম্পাদক মির্জা সম্রাট, মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি ও জালালাবাদ থানা বিএনপির সদস্য সচিব সুদীপ জ্যোতি এষ, জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হাজী মুহাম্মদ দিনার, ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জুবের আহমদ, মহানগর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ফজলে রাব্বি আহসানসহ “আমরা জুলাই যোদ্ধা” সিলেট মহানগর শাখার আহ্বায়ক আব্দুস সালাম টিপু, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এম এ হাসান সাগর, যুগ্ম আহ্বায়ক (দপ্তর) মো. মোস্তাফিজুর রহমান, মাহবুব হুসাইন, সুজন আহমদ, খান মোহাম্মদ সামি, ফজলু মিয়া, মুস্তাকিম, সদস্য সচিব মাহমুদুল হাসান সাগর, সদস্য আসাদুজ্জামান ও সুমন রায় প্রমুখ।

 

স্মারকলিপিতে নেতৃবৃন্দ উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশে নতুন এক বাস্তবতার সূচনা হয়েছে, যার পেছনে রয়েছে অসংখ্য শহীদ ও আহতদের আত্মত্যাগ। তারা দাবি করেন, ঐতিহাসিক এ আন্দোলনে “আমরা জুলাই যোদ্ধা”র সদস্যরা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছেন এবং দেশের পরিবর্তনে ভূমিকা রেখেছেন।

 

নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, গণ-অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী প্রকৃত যোদ্ধাদের অধিকার সংরক্ষণ, সিলেট অঞ্চলের উন্নয়ন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের কল্যাণে তাদের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দাবি রয়েছে। এসব দাবির প্রতি সহানুভূতিশীল হয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণে জেলা প্রশাসনের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করা হয়।

 

স্মারকলিপিতে উত্থাপিত দাবির মধ্যে রয়েছে—প্রকৃত জুলাই যোদ্ধাদের দ্রুত যাচাই-বাছাই করে সরকারিভাবে গেজেটভুক্ত করা, জুলাই-আগস্ট সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রীয় ও সাংগঠনিক কর্মসূচিতে যথাযথ প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা, গেজেটভুক্তদের মধ্যে বিদ্যমান বৈষম্য দূর করা, ভুয়া পরিচয়ে গেজেটভুক্তদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ, আন্দোলনে আহতদের আজীবন বিনামূল্যে চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা এবং যোগ্যতার ভিত্তিতে সরকারি চাকরিতে অগ্রাধিকারসহ কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা।

 

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন আবেদনকারীরা।