গত ১৭ বছর ধরে বড় বড় গল্প শোনা গেলেও দেশের মানুষের মৌলিক সমস্যার কোনো সমাধান হয়নি এ মন্তব্য করে দেশবাসীকে পরিবর্তনের বার্তা দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
মঙ্গলবার রাত (২৮ জানুয়ারি) রাজধানীর উত্তরায় এক নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। রাত দেড়টা পর্যন্ত চলা এই সমাবেশে কানায় কানায় পূর্ণ ছিল উত্তরার আজমপুর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দান।
জনসভায় তারেক রহমান বলেন, “বিগত ১৭ বছর আমরা শুধু বড় বড় গল্প শুনেছি, কিন্তু মানুষের সমস্যার সমাধান আমরা দেখিনি। সারা দেশের মানুষ নিয়মিত গ্যাস বিল পরিশোধ করে, কিন্তু তারা ঠিকমতো গ্যাস পায় না।” তিনি অভিযোগ করেন, বিগত সময়গুলোতে দেশে নতুন গ্যাসকূপের সন্ধান করতে কোনোভাবেই সুযোগ দেওয়া হয়নি।
দেশের ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ঐক্যের ওপর গুরুত্ব দিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, “বাংলাদেশের সামনে অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। নতুন মিল, ফ্যাক্টরি ও কলকারখানা গড়ে তুলতে হবে। আমরা যদি সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকি, তাহলে ধীরে ধীরে এই সমস্যাগুলো কাটিয়ে ওঠা সম্ভব।”
তিনি বলেন, এসব সমস্যা সমাধানে জনগণের সমর্থন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
“১২ তারিখের নির্বাচনে আপনাদের ভোটের শক্তিকে রূপান্তরিত করতে হবে। যেকোনো পরিস্থিতিতেই আমরা বাংলাদেশের জন্য কাজ করে যাব,” বলেন তারেক রহমান।
বক্তব্যে জুলাই আন্দোলনে উত্তরার ছাত্রজনতার ভূমিকার কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, “চব্বিশের জুলাই আন্দোলনে উত্তরার মানুষের অবদান স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।”
এ সময় তিনি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীককে বিজয়ী করতে সকলের প্রতি আহ্বান জানান।
নির্বাচনি এই জনসভায় বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সহধর্মিণীসহ দলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন।
হাফিজুর রহমান 


















